- প্রতিবেশীর হক আদায় করা — রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রতিবেশীর ব্যাপারে এত বেশি অসিয়ত করেছেন যে সাহাবিরা মনে করেছিলেন প্রতিবেশীও হয়তো ওয়ারিশ হয়ে যাবে (বুখারি, মুসলিম)
- প্রতিবেশীকে কোনোভাবে কষ্ট না দেওয়া — শব্দ, ধোঁয়া, আবর্জনা ইত্যাদির মাধ্যমেও না
- প্রতিবেশী বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো, খোঁজখবর রাখা
- রান্না করা খাবারের সুঘ্রাণ প্রতিবেশী পর্যন্ত গেলে কিছুটা তাকেও দেওয়ার প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে
- প্রতিবেশীর ব্যক্তিগত বিষয় ও গোপনীয়তা রক্ষা করা
🔬 বৈজ্ঞানিক দিক: সমাজবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে, মজবুত প্রতিবেশী-সম্পর্ক ও সামাজিক সংযুক্তি (social cohesion) মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে, একাকীত্ব কমায়, এমনকি এলাকার অপরাধ প্রবণতাও কমিয়ে দেয়। মহামারি চলাকালীন গবেষণাগুলোতেও দেখা গেছে, যেসব এলাকায় প্রতিবেশীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বেশি, সেখানে মানুষ বিপদে দ্রুত সাহায্য পায় ও দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। প্রতিবেশীর হক নিয়ে ইসলামের এই কঠোর তাগিদ প্রমাণ করে, সুস্থ সমাজ গঠনে যা প্রয়োজন তা চৌদ্দশ বছর আগেই ইসলাম চিহ্নিত করে দিয়েছিল, যা আধুনিক সমাজবিজ্ঞানও আজ সমর্থন করে।